গবেষণায় অসাধারণ অবদান এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমানতা বাড়ানোর স্বীকৃতি হিসেবে গুগল স্কলার প্রোফাইলে দুই হাজার বা তার বেশি সাইটেশন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ জন শিক্ষক ও গবেষককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের পক্ষে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন সব অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউট ও সেন্টারের পরিচালক, প্রক্টর এবং সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষক-গবেষকেরা।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাধর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে সম্মানজনক অবস্থানে নিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে গবেষকদেরই।
তিনি বলেন, শুধু সরকারি অর্থায়নে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়; এ জন্য দরকার অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির (শিল্প খাত) সহযোগিতা।
শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে প্রশাসনের নেওয়া নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে উপাচার্য জানান, ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে। গবেষণার জন্য এক হাজার কোটি এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরও এক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের লক্ষ্যে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন ও অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং জোরদারের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে ‘ল্যাব টু ল্যাব’ ও ‘রিসার্চার টু রিসার্চার’ কার্যক্রমের মাধ্যমে গবেষণাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সূচনা বক্তব্য দেন তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম; পরে সাইটেশনের (তথ্যসূত্র) গুরুত্ব নিয়ে একটি উপস্থাপনাও দেন তিনি।
সম্মাননাপ্রাপ্ত ৬২ শিক্ষক ও গবেষকের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক মো. আবু বিন হাসান সুসান, অধ্যাপক আবদুস সালাম, অধ্যাপক মো. এনামুল হক, অধ্যাপক মো. মমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক মো. আহসান হাবীব, অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব, অধ্যাপক মুহাম্মদ ফেরদৌস, অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল কাদির, অধ্যাপক মো. শরীফ হোসেন, অধ্যাপক সুবর্ণ বড়ুয়া, অধ্যাপক মো. রাকিবুল হক, অধ্যাপক সেলিম রায়হান, অধ্যাপক রুমানা হক, অধ্যাপক এম নিয়াজ আসাদ উল্লাহ, অধ্যাপক মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মোহাম্মদ বিললাল হোসেন, অধ্যাপক মো. রবিউল হক, অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, অধ্যাপক গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী, অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ, অধ্যাপক এ এইচ এম নুরুন নবী, অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন, অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর, অধ্যাপক মুনাওয়ার সুলতানা, অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, অধ্যাপক মো. হাবিবুল্লাহ আল-মামুন, অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ, অধ্যাপক আবুল বাশার মীর মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম ও অধ্যাপক এম রেজাউল ইসলাম।
তালিকায় আরও রয়েছেন ইমেরিটাস অধ্যাপক চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ইমেরিটাস অধ্যাপক মো. আবদুর রশীদ, অধ্যাপক মো. শাহ এমরান, অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ, অধ্যাপক এস এম আবদুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মো. আজিজ হাসান, অধ্যাপক মো. কাউসার আহাম্মদ, সহযোগী অধ্যাপক মাইনুল হোসেন, অধ্যাপক এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক পাপিয়া হক, অধ্যাপক মিঠুন সরকার, অধ্যাপক আবুল খায়ের মল্লিক, সহযোগী অধ্যাপক মো. নুরুজ্জামান খাঁন, সহযোগী অধ্যাপক তাছলিম উর রশিদ, অধ্যাপক মো. আবদুর রাজ্জাক, অধ্যাপক হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, অধ্যাপক চৌধুরী ফারহান আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক অনিমেষ পাল, অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান, সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, অধ্যাপক মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম, অধ্যাপক শেখ মনির উদ্দিন, অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল আলী, অধ্যাপক মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, গাজী নুরুন নাহার সুলতানা, মো. লতিফুল বারী ও সমীরন ভট্টাচার্য্য।