বহুল প্রতীক্ষিত কন্নড় সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ মুক্তির পর থেকেই নানা কারণে আলোচনায়। যশ অভিনীত ছবিটি নিয়ে দর্শকের একাংশের অসন্তোষের পাশাপাশি এবার সামনে এসেছে অভিনেত্রী রুক্মিণী বসন্তের একটি ‘সাহসী’ দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দৃশ্যটির সমালোচনা করে একে ‘অপ্রত্যাশিত’ ও ‘সস্তা চিত্রনাট্যের’ উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন।

গত ২৬ আগস্ট বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘টক্সিক’। ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’-এর পর এই ছবির মধ্য দিয়েই চার বছর পর বড় পর্দায় ফিরেছেন যশ। পরিচালনায় গীতু মোহনদাস। গল্প গড়ে উঠেছে গোয়াকে কেন্দ্র করে — পর্তুগিজ শাসনের সময়কার গোয়ার পটভূমিতে নির্মিত ছবিটিতে যশকে দেখা গেছে দ্বৈত চরিত্রে।

সিনেমায় যশের সঙ্গে অভিনয় করেছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্ত। মুক্তির পরপরই রুক্মিণীর একটি দৃশ্য নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।

এক দর্শক এক্সে লিখেছেন, ‘এ ধরনের দৃশ্য কীভাবে গ্রহণ করব? রুক্মিণী, সত্যিই তোমার কাছ থেকে এমন কিছু আশা করিনি।’ পোস্টে সিনেমার হ্যাশট্যাগের সঙ্গে অভিনেত্রীর নামও জুড়ে দিয়েছেন তিনি।

আরেকজন অবশ্য রুক্মিণীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, ছবিতে রুক্মিণীর কোনো চুম্বন বা ঘনিষ্ঠ প্রেমের দৃশ্যই নেই, তাই তাঁকে ঘিরে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করা হচ্ছে। তবে একই পোস্টে সিনেমাটির সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন, এই ছবিতে রুক্মিণীর অভিনয় না করাই ভালো হতো। অন্য এক দর্শক সরাসরি অভিনেত্রীর উদ্দেশে লিখেছেন, ‘এটা কী? এমন সস্তা চিত্রনাট্য কেন?’

মুক্তির পর সমালোচনাও
রুক্মিণীর দৃশ্য নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি ‘টক্সিক’ নিয়ে দর্শকের প্রতিক্রিয়াও মিশ্র। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবির গল্প, চিত্রনাট্য ও নির্মাণশৈলী নিয়ে নানা মত দেখা যাচ্ছে। বড় তারকা, বড় বাজেট আর দীর্ঘ অপেক্ষার পর মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি প্রত্যাশা কতটা মেটাতে পারল, সেই প্রশ্নও উঠেছে।

‘টক্সিক’কে কেবল অ্যাকশন সিনেমা হিসেবে নয়, প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকের জন্য রূপকথার আবহে তৈরি একটি গ্যাংস্টার ড্রামা হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে। গল্পে অপরাধজগৎ, ক্ষমতা ও পারিবারিক সম্পর্কের পাশাপাশি রয়েছে নানা ধরনের প্রাপ্তবয়স্ক উপাদান। কেবল রুক্মিণী নন, কিয়ারা ও যশের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়েও আগে বিতর্ক হয়েছিল। প্রচারের সময় দুজনই বলেছিলেন, গান বা টিজারের বিচ্ছিন্ন দৃশ্য দেখে মন্তব্য করা উচিত নয়; সিনেমার প্রয়োজনেই এসব দৃশ্য রাখা হয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে